শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » ‘জাইমার শরীরের কোথায় তিল আছে, তা বলে দিতে পারি’



‘জাইমার শরীরের কোথায় তিল আছে, তা বলে দিতে পারি’


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
20.09.2021

নিউজ ডেস্ক: ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা টিকটক, যা-ই খোলা হোক না কেন-তাতেই উচ্ছৃঙ্খলরূপে দেখা মিলছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বড় মেয়ে জাইমা রহমানকে। শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে জানা গেলো আরেকটি তথ্য। লন্ডনস্থ পাকিস্তান দূতাবাসের এক বিবাহিত কর্মকর্তার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন তিনি। আর বিষয়টি যখন তারেক-জোবায়দার কানে গেছে, তখন তারা জাইমাকে বিয়ে দিতে উদ্যত হলে দূতাবাসের ওই কর্মকর্তা হুমকি দিয়ে বলেছেন, জাইমাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে দেবেন না তিনি। বেশি চালাকি করলেই ফাঁস করে দেবেন, ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি-ভিডিও। কিংবা জনসম্মুখে বলে দেবেন, জাইমার শরীরের কোথায় কোথায় তিল আছে। এ কথা শোনার পর থেকেই খাওয়া-ঘুম হারাম হয়ে গেছে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ তারেক-জোবায়দা দম্পতির।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, জন্মের পর থেকেই বেপরোয়া জীবনযাপন করে আসছেন তারেক কন্যা জাইমা। নাইট ক্লাব, মদের পার্টি, জামা-কাপড়ের মতো বয়ফ্রেন্ড পরিবর্তন কিংবা দামি গাড়িতে করে লংড্রাইভে যাওয়া তাই তার কাছে রীতিমত ‘ডাল-ভাতের’ মতো। এমনকি এই অল্প বয়সে তিনি বেশ কয়েকবার গর্ভপাতও করেছেন বলে জানা গেছে। অথচ তার এই লাগামহীন জীবনে কখনই ‘পথের কাঁটা’ হয়ে দাঁড়াননি বাবা তারেক রহমান। আর দাঁড়াবেনই বা কিভাবে, খোদ তিনিও তো মদ ও মেয়ে নিয়েই আমোদ-ফুর্তি করেন। অবশ্য তার মা জোবায়দা একাধিকবার মেয়ের গতিবিধি সুবিধাজনক না উল্লেখ করে তারেককে বললেও তিনি তা হেসেই উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ওসব বয়সের দোষ। একটু বড় হয়ে গেলেই, বুঝতে শিখলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। চিল করুক এখন। তাছাড়া তার থেকে বড় কথা, ও আমার মেয়ে। নিজের ভালো নিশ্চয়ই বোঝে!

কিন্তু তারেকের সেই ধারণা ভুল প্রমাণ করেছেন জাইমা। সম্প্রতি জানা গেছে, তাদের বাসায় যাতায়াতকারী লন্ডনস্থ পাকিস্তান দূতাবাসের বিবাহিত এক কর্মকর্তার প্রেমে রীতিমত হাবুডুবু খাচ্ছেন তারেক কন্যা। এমনকি তার সঙ্গে গোপন অভিসারে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও স্থাপন করেছেন তিনি। একপর্যায়ে অনিরাপদ মিলনের প্রেগন্যান্ট হয়ে পড়েন জাইমা। পরে লন্ডনের বাংলা কমিউনিটির একটি ক্লিনিকে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ঘটান গর্ভপাতের ঘটনাও। বাবাকে জানাতে নিষেধ করলেও গর্ভপাতকারী সেই চিকিৎসক ফোন করে তারেককে ঘটনাটি জানান। পরে তারেক স্ত্রী জোবায়দার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এবং ওই পাকিস্তানি দূতাবাস কর্মকর্তাকে মানা করেন বাসায় আর না আসতে।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, জাইমাকে তিনি ভালোবাসেন। তাদের বিশেষ মুহূর্তের অনেক ছবি ও ভিডিও তার কাছে আছে। এমনকি তার শরীরের কোথায় কোথায় তিল এবং কোন অঙ্গের কেমন গড়ন তা তিনি বলে দিতে পারেন চোখ বুঝেই। তাই এখন যদি তাকে ভালোবাসার অপরাধে জাইমাকে জোর করে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়, তবে ফল হবে ভয়াবহ। চোখের পলকেই সব ছড়িয়ে যাবে ইন্টারনেটে। হয়ে যাবে ভাইরাল। এখন নিজের মেয়ের ভালো-মন্দ তারেক-জোবায়দা বুঝলেই হয়।

এদিকে, গর্ভপাতের ফলে জাইমার শরীরের সর্বত্র এখন বয়সের ছাপ। মনে হচ্ছে, তিনি বুড়িয়ে গেছেন। প্রকৃত ঘটনা হলো, এগুলো সবই ওষুধের সাইডইফেক্টস। ওষুধের কারণেই এমনটা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, জাইমা ওই পাকি কর্মকর্তাকেই চান বলে জানা গেছে। কারণ, তার মতো করে সুখে নাকি অন্য কেউ রাখতে পারবে না।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, পাপ যে বাপকেও ছাড়েনা, তা জাইমার কেলেঙ্কারি দিয়ে তারেক বুঝছেন। সঙ্গে মনে মনে এও বলছেন, মুখে চুনকালির আগে কিভাবে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেবেন, আর কিভাবেই বা পাকি কর্মকর্তাকে দমন করবেন। এখন দেখার বিষয়, তারেক আদৌ পারবেন, নাকি পারবেন না?



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি