শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসেবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ৮৯% বিএনপি নেতাই আনফিট



আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসেবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ৮৯% বিএনপি নেতাই আনফিট


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
23.09.2021

নিউজ ডেস্ক: দলের নির্বাহী কমিটির নেতা, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্যদের সাথে টানা তিনদিনের বৈঠক শেষ করেছেন লন্ডনে পলাতক তারেক রহমান। চলছে ২য় দফায় জেলা পর্যায়ের নেতাদের সাথে বৈঠক। ১ম দফার সভায় শেষে আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসেবে সারা দেশের বিএনপি নোতকর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে বলেন তারেক রহমান। এর পর থেকেই শুরু হয় নেতাকর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্টের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় মাত্র ১১ শতাংশ নেতা শারীরিকভাবে উপযুক্ত। বাকী ৮৯ শতাংশই আনফিট।

বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা বাংলা নিউজ ব্যাংকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত ১ লাখ ৯২ হাজার নেতাকর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে এ হার নির্ণয় করা হয়।

খালেদাপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিত দলটির একজন সিনিয়র নেতা বাংলা নিউজ ব্যাংকে বলেন, নেতাদের স্বাস্থ্যের এমন হাল দেখে হতাশ তারেক রহমান। তিনি চেয়েছিলেন আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন তিনি নিজে। তাই জামায়াতসহ জোট নেতাদের দূরে রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দলের নেতাদের এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি।

এই নেতা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকায় তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতাই রাজনীতি থেকে ক্রমশ দূরে সরে গিয়েছেন। সবাই একটা নির্ভেজাল জীবন চায়। এছাড়া পরিবার, স্ত্রী-সন্তান থাকায় নতুন করে ঝামেলায় জড়াতে চান না বেশিরভাগ নেতারা। আর অপ্রিয় হলেও সত্যি যে, নতুন করে বিএনপিতে কর্মী যুক্ত হচ্ছে না বহুকাল। তাই পুরনো নেতাকর্মীরা তাদের পরিবার ব্যবসা-বাণিজ্যকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।

এদিকে শুরুর দিকে বিএনপি নিজেরাই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইলেও দলের নেতাকর্মীদের স্বাস্থ্যের এমন দশা দেখে তারেক রহমান বলেছেন, আন্দোলনে অন্য দলগুলো অংশ নিতে চাইলে সেগুলোকে স্বাগত জানাবে বিএনপি। তবে সেসব দলকে আমার নেতৃত্ব মেনে আসতে হবে। কোনোভাবেই আন্দোলনের নেতৃত্ব অন্যদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না।

এ বিষয়ে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মর্তুজা বলেন, সাংগঠনিকভাবে বিএনপির ব্যর্থতা তো রয়েছেই। তবে তারা চেষ্টা করছে যেন নির্বাচনের আগে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। একটা দলে যদি ১২ বছর ধরে যদি কোনো নতুন কর্মীর সংযোজন না হয় তাহলে পুরনো নেতাকর্মীরাও আগ্রহ হারায়। ফলে কর্মীর অভাবে আবারো দলটিকে জামায়াতের কাঁধেই ভর করতে হবে। এছাড়া তাদের আন্দোলনে যাওয়া সম্ভব হবে না।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি