সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১



ঘুরে দাঁড়াতে দলে কঠিন পরিবর্তন আনছে বিএনপি


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
28.09.2021

খালেদা-তারেক-ফখরুল

নিউজ ডেস্ক : ঝিমিয়ে পড়া বিএনপির নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা হয় অবসরে যাচ্ছেন অথবা বিএনপি ছেড়ে দিচ্ছেন। বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান দিনভরই দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেছেন। এদের অধিকাংশই বর্তমান নেতৃত্বের পরিবর্তনের পক্ষে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির করুণ অবস্থা। স্থায়ী কমিটির প্রায় অর্ধেক পদ খালি। দীর্ঘদিন বলা হলেও শূন্য পদ পূরণের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাছাড়া যারা স্থায়ী কমিটিতে আছেন, তাদের একটি বড় অংশ বার্ধক্যজনিত নানা রোগ আক্রান্ত। তারেক রহমান নিজেও এই স্থায়ী কমিটির পরিবর্তনের পক্ষে। স্থায়ী কমিটিতে তারেক রহমান পরিবারের লোকজন এবং তরুণদের আনতে চায়। তারেকের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে অধিকাংশই মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা একমত। বিএনপির মহাসচিব পদেও পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমান মহাসচিব নিজেই এই দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান। তিনি লন্ডনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে একথা বলেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তারেক রহমান একজন নতুন মহাসচিব খুঁজছেন। নতুন মহাসচিবের ব্যাপারে বর্তমান সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নাম আসে সবার আগে। কিন্তু তারেক রহমান তাকে মহাসচিব হবার যোগ্য মনে করেন না বলেই বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তারেক রহমানের পছন্দ আব্দুল আউয়াল মিন্টুর পুত্র তাবিথ আউয়াল। কিন্তু দলের অধিকাংশ মাঠকর্মীরা তাকে ঠিকমতো চেনেই না। একজন নতুন মহাসচিব না পাওয়া পর্যন্ত মির্জা ফখরুলকে এই পদে রাখা হচ্ছে।

দলের বেশ ক’জন সিনিয়র নেতা অবসরে যাবার কথা ভাবছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এবং ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও বলেছেন, রাজনীতির উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। তিনিও অবসরের কথা ভাবছেন। আর আমির খসরু মাহমুদসহ আরও ক’জন খুব শীঘ্রই দল বদলাবেন এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বিএনপিতে। তবে, বিএনপির নেতৃত্বের পরিবর্তনের আগে দলটি যে কোন আন্দোলনে যাবে না, তা মোটামুটি নিশ্চিত।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি