শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Breaking » সাইবার সন্ত্রাসীদের নিয়ে ‘নতুন মিশনে’ তারেক গং!



সাইবার সন্ত্রাসীদের নিয়ে ‘নতুন মিশনে’ তারেক গং!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
04.10.2021

সাইবার সন্ত্রাসী

নিউজ ডেস্ক: মাঠের রাজনীতিতে নেই বিন্দুমাত্র গ্রহণযোগ্যতা, অগত্যা অনলাইনকেই প্রচার-প্রচারণার জন্য বেছে নিয়ে, সেখানে করছে বিশাল অর্থ ব্যয়। বিএনপি-জামায়াত জোটের এমন অপতৎপরতা, দিনকেদিন বেড়েই চলেছে। বিশিষ্টজনরা বলছেন, লন্ডনে তারেক রহমান বাহ্যিক দৃষ্টিতে উপার্জনহীন হলেও তিনি পদ-কমিটি-মনোনয়ন-পদ ও তদবির বাণিজ্য করে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। পাশাপাশি দেশ-বিদেশের বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীদের থেকে পান নিয়মিত ‘মাসিক চাঁদা’। এমনকি উৎসব-পার্বণ এলে ডোনারদের থেকেও পান মোটা অংকের অর্থ। এভাবেই চলছে তার রাজকীয় জীবন। চলছে দেশকে পিছিয়ে নেয়ারও ষড়যন্ত্র। সম্প্রতি তিনি ‘পেইড’ সাইবার সন্ত্রাসীদের নিয়ে ‘নতুন মিশনে’ নেমেছেন বলে জানা গেছে।

দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্যমতে, দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অশুভ প্রয়াস নিয়ে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত চক্র। দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্র করার উদ্দেশ্যে তারা বিশাল অর্থ ব্যয়ে ভাড়া করেছে সাইবার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। যাদের মধ্যে কয়েকজন সেনানিবাসে অবাঞ্ছিত ও চাকরীচ্যুত সেনা কর্মকর্তা। আবার সেই সিন্ডিকেটে আছেন বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধের মামলায় আসামি হয়ে বিদেশে আত্মগোপন করা মুখোশধারী ও ভুঁইফোড় কিছু সাংবাদিক। যাদের অদ্বিতীয় কাজই হচ্ছে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ব্লগ, সস্তা অনলাইন নিউজ পোর্টালসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু পরিবার, সরকার, বিচার বিভাগ ও দেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালানো। যুদ্ধাপরাধী ও আগুনসন্ত্রাসের এই সিন্ডিকেটটির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আর এ খবর পাওয়ার পর থেকে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চক্রটির ভুঁইফোড় পণ্ডিতরা। আদাজল খেয়ে নেমে চেষ্টা করছে সরকারকে ঘায়েল করতে। যাদের পেছনে প্রধান ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে রয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে দেশের বাইরে থাকা এক ডজন শীর্ষ সাইবার সন্ত্রাসীর নাম জানা গেছে। তারা হলেন- সুইডেন প্রবাসী ও নেত্র নিউজের এডিটর ইন চিফ তাসনিম খলিল, কানাডা প্রবাসী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর দেলোয়ার হোসেন, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত ও কোর্ট মার্শালে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে অবসরে যাওয়া সেনা কর্মকর্তা কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান, কানাডা প্রবাসী অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন শহীদ ইসলাম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস ও বিসিএস ’৮৬ ব্যাচের কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে আত্মগোপনে থাকা মোহাম্মদ শামসুল আলম, শিবির ক্যাডার ও কানাডা প্রবাসী নাজমুস সাকিব, কানাডা প্রবাসী কথিত ব্যারিস্টার এম রহমান মাসুম, কানাডা প্রবাসী কথিত সাংবাদিক ও ইউটিউব-ফেসবুকভিত্তিক ভুঁইফোড় চ্যানেল নাগরিক টিভির সিইও টিটো রহমান, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ মামলার আসামি হয়ে বিদেশে আত্মগোপন করা সাংবাদিক কনক সারোয়ার, রাজাকারের সন্তান দাবিদার ও চাঁদাবাজির মামলায় আসামি হয়ে বিদেশে আত্মগোপন করা সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন, ধর্ষণ মামলার আসামি হয়ে যুক্তরাজ্যে আত্মগোপন করা প্রতারক সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনের ফিচার লেখকের ভুয়া পরিচয় দেওয়া কথিত সাংবাদিক হাসিনা আক্তার।

উপরোক্ত ব্যক্তিরা যে বিদেশের মাটিতে বসে দেশ ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত তার প্রমাণ ইতোমধ্যে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার হাতে এসে পৌঁছেছে। তারা ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়ে অবহিত করার পাশাপাশি নিশ্চিত করেছে অচিরেই এই সাইবার সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে দেশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বরখাস্ত কিছু সেনা কর্মকর্তা, পলাতক বিএনপি নেতা, সাংবাদিক ও যুদ্ধাপরাধী রাজাকারদের সন্তান-বংশধররা লন্ডন, আমেরিকা, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বসে দেশ বিরোধী মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। আর এর মাধ্যমে উপার্জন করছে মোটা অংকের অংক। যার যোগানদাতা তারেক রহমান গং। কোথায় পাচ্ছেন তারা এতো টাকা? আর উৎসই বা কি, তা বেরিয়ে আসবে অচিরেই। বেরিয়ে আসবে থলের বিড়ালও। কারণ, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি