রবিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » প্যান্ডোরা পেপারসে মিন্টুর নাম, ফোন ধরছেন না তারেক!



প্যান্ডোরা পেপারসে মিন্টুর নাম, ফোন ধরছেন না তারেক!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
04.10.2021

মিন্টু ও তারেক

নিউজ ডেস্ক: পালের গোদা যেখানে ‘দুর্নীতির বরপুত্র’ নামে খ্যাত, সেখানে তার অনুসারীরা সে পথেই হাঁটবে, এটাই স্বাভাবিক। হলোও তাই। ৩ অক্টোবর (রোববার) প্রকাশিত প্যান্ডোরা পেপারসের রিপোর্টে জানা গেলো, বিদেশে অর্থ পাচারের কাজে গভীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টুর। এর আগেও তিনি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কেলেঙ্কারির প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো প্যারাডাইস পেপারস।

দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্যমতে, দুর্নীতি বিএনপির রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এ কারণে তারা যখনই ক্ষমতায় আসে, লুটেপুটে খাওয়ার মহোৎসবে মাতে। এমনকি তাদের সেই অর্থ লোলুপতা থেকে বাদ যায়নি এতিমদের অর্থও। যার প্রেক্ষিতে দলটির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সাজাভোগ করছেন। বর্তমানে রয়েছেন সরকারের মহানুভবতায় জামিনে। একইভাবে মানি লন্ডারিংসহ একাধিক অভিযোগে দেশ ছাড়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর তাদের দেখানো পথেই হাঁটেন দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল, সকল স্তরের নেতাকর্মীরা। যারই ধারাবাহিকতায় এবার ৩ অক্টোবর (রোববার) প্রকাশিত প্যান্ডোরা পেপারসে পাওয়া গেলো বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টুর নাম।

নেপালভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নেপাল টাইমসের বরাতে জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে) বিশ্বের বিখ্যাত রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক কেলেঙ্কারির তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই প্যান্ডোরা পেপারে এসেছে নেপালের শীর্ষ ব্যবসায়ী বিনোদ চৌধুরীর নাম। যিনি অন্যদের মতো গোপনে দেশের বাইরে বিনিয়োগ করেছেন, যা পুরোপুরি আইনবিরোধী। প্রকাশ হয়েছে তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদেরও নাম। যাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা আবদুল আওয়াল মিন্টু।

এ ব্যাপারে জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলা নিউজ ব্যাংক। তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, ব্যবসার কাজে আমাকে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে লেনদেনও করতে হয়। তবে চেষ্টা থাকে বৈধপথে লেনদেনের। বিনোদ চৈৗধুরীর সঙ্গেও আমার তেমনই যোগাযোগ। এর ভিন্ন অর্থ খোঁজার কোন মানে হয় না। আর প্যান্ডোরা পেপারসে কেন আমার নাম এসেছে, তাও আমার বোধগম্য নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তারেক রহমান বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি ধরেননি। সম্ভবত ব্যস্ত আছেন। কথা হলে তখন সব খুলে বলবো। চাইবো সমাধানও।

এ বিষয়ে দেশের রাজনৈতিক বিজ্ঞজনরা বলছেন, পাপ কখনো বাপকে ছাড়ে না। যা ইতোমধ্যে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মাধ্যমে সবাই জেনেছেন। তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করা আবদুল আউয়াল মিন্টুরও এবার গোমর ফাঁস হলো। প্যান্ডোরা পেপারসের মাধ্যমে জানা গেলো, খালেদা-তারেকের মত তিনিও বিদেশে বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন। এ থেকেই প্রমাণিত হয়, তাদের কেউই দুর্নীতির উর্ধ্বে নয়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি