রবিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২১



জিয়াউর রহমানের কালো ইতিহাস


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
06.10.2021

জিয়াউর রহমান

নিউজ ডেস্ক: ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানিদের পক্ষে অস্ত্র খালাস করতে গিয়েছিলেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম) তার ‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ বইয়ে লিখেছেন, ২৫শে মার্চ রাত পর্যন্ত নিঃসন্দেহে জিয়াউর রহমান কাজ করছিলেন পাকিস্তানিদের পক্ষ হয়ে।’

বইটির ৩১ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘সে ছিল ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ এর রাত। সেই দু’জন অফিসারের একজন- লে. কর্নেল এম. আর. চৌধুরীকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বন্দি করলো। তিনি পশ্চিম পাকিস্তানিদের যে বিশ্বাস করেছিলেন, ২০ বালুচ রেজিমেন্টের সৈন্যরা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে সেই বিশ্বাসের জবাব দিল। অফিসারদ্বয়ের অন্যজন, মেজর জিয়াউর রহমান, রাত সাড়ে এগারোটায় যাচ্ছিলেন চট্টগ্রাম পোর্টে ‘সোয়াত’ জাহাজ থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ নামিয়ে ক্যান্টনমেন্টে আনার কাজে ‘পশ্চিম পাকিস্তানিদের’ সাহায্য করার জন্য।’

রফিকুল ইসলামের লেখার সত্যতা পাওয়া যায়, স্বয়ং জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ বই থেকে। যেখানে জিয়া লিখেছেন, ‘২৫ ও ২৬ মার্চের মধ্যবর্তী কালরাত। রাত ১১টায় আমার কমান্ডিং অফিসার আমাকে নির্দেশ দিলো নৌ বাহিনীর ট্রাকে করে চট্টগ্রাম বন্দরে গিয়ে জেনারেল আনসারির কাছে রিপোর্ট করতে।’

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে জিয়াউর রহমান ছিলেন- বাংলাদেশের বিপক্ষে। স্বাধীনতার ষোষণাও জিয়াউর রহমানকে ডেকে এনে দেয়ানো হয়েছিল।

‘মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর: একটি নির্দলীয় ইতিহাস’ গ্রন্থে লেখক গোলাম মুরশিদ লিখেছেন, ‘জিয়ার ঘোষণাটি ঐতিহাসিক হলেও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বেলাল মোহাম্মদ যদি ২৭ মার্চ পটিয়া থেকে কালুরঘাটে জিয়াকে ডেকে না নিয়ে আসতেন, জিয়া রেডিওতে আসতেনই না। এর আগেই এম এ হান্নান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।’

সুতরাং, ইতিহাস প্রমাণ করে, ক্ষমতালোভী জিয়াউর রহমান মহান কেউ ছিলেন না। ছিলেন, পশ্চিম পাকিস্তানের গুপ্তচর।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি