শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » other important » নাস্তিকতা ছড়াতেই একটি পক্ষকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার তাসনিম খলিলের



নাস্তিকতা ছড়াতেই একটি পক্ষকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার তাসনিম খলিলের


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
11.10.2021

তাসনিম খলিল

নিউজ ডেস্ক : দেশে বসবাস করা কিছু আত্মভোলা মানুষ রয়েছে। যাদের শুধুমাত্র দেশবিরোধী কথা বলে প্রভাবিত করে সমর্থন নেয়া যায়। আর সেই সুযোগের উপযুক্ত ব্যবহার করছেন বিদেশে অবস্থিত কিছু নাস্তিক ব্লগার। যাদের মূল লক্ষ্য রাষ্ট্রবিরোধী আলোচনার ফাঁকে নাস্তিকতা ছড়িয়ে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা সরাসরি সরকারবিরোধী কথা বলেই যাচ্ছেন। অপরদিকে পথভ্রষ্ট কিছু মানুষ নাস্তিকদের চাল বুঝতে না পেরে তাদের ফাঁদে পা দিচ্ছেন। ফলে সরকারবিরোধী কথার ফাঁদে পড়ে হারাচ্ছেন তাদের ঈমান।

প্রবাসী এই ব্লগারদের মধ্যে একজন হচ্ছেন সুইডেন প্রবাসী স্বঘোষিত নাস্তিক এবং সমকামী তাসনিম খলিল। ‍যিনি বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী পোস্টের ফাঁকে ফাঁকে নাস্তিকতা প্রচার করে থাকেন। গত ৭ আগস্ট তিনি একজন মুসলিম সাংবাদিককে ‘পরহেজগার’ বলে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তার পোস্টের কমেন্ট বক্সে তৌসিফ আহমেদ নামে একজন মন্তব্য করেন, ‘আপনার অনেক লেখালেখি ভালো লাগে। তাই ফলো করি। জানতে ইচ্ছে হয়- যেহেতু আপনি ধর্মে বিশ্বাসী না। আপনার মৃত্যুর পর দাফন-কাফন কোন রীতিতে হবে? মৃত্যুর পর দাফন-কাফনে নাস্তিকি কোন স্টাইল আছে কিনা?’ উত্তরে তাসনিম খলিল লেখেন, ‘কোন ধর্মীয় রীতিতে হবে না। বডি মেডিক্যাল রিসার্চের জন্য দান করে দিবো।’

জেনে রাখা প্রয়োজন, তাসনিম খলিল সুইডেন-জার্মানভিত্তিক এথিজম গ্রুপের এশিয়া প্যাসেফিক রিজিয়নের প্রধান হলেও ছদ্মবেশে বিএনপির এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। সুইডেন-জার্মানভিত্তিক এথিজম গ্রুপকে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, বাংলাদেশে উগ্র মুসলিমদের কারণে সরাসরি নাস্তিকতা প্রচার করা যায় না। আর এ কারণে তাসনিম খলিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকারবিরোধী প্রচারণায় অংশ গ্রহণ করেছেন।

তাসনিম খলিলের উদ্দেশ্য হচ্ছে, যেকোনো উপায়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনা। যার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে এসে সরাসরি নাস্তিকতা প্রচার করতে পারবেন। ফলে সরকারবিরোধী প্রচারণা তারেক রহমান তাকে যতোটুকু অর্থ প্রদান করছেন, তার তিনগুণ বেশি প্রদান করছে সুইডেন-জার্মানভিত্তিক এথিজম গ্রুপটির প্রধানরা।

তাসনিম খলিলের মূল উদ্দেশ্য হলো, প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও সরকারবিরোধী মনোভাব তৈরিতে উসকানি দেওয়া। এতে কিছু মানুষ প্রভাবিত হলে পরবর্তীতে সে সব মানুষের মধ্যে নাস্তিকতা ছড়িয়ে দেয়া।

এভাবে চলতে থাকলে, দেশের একটি জনগোষ্ঠী পথভ্রষ্ট হয়ে ধর্ম থেকে দূরে সরে যেতে পারে। ফলে যেকোনো উপায়ে এসব নাস্তিদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এখন সময়ের দাবি।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি