শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » other important » জাইমার বিছানায় মিললো কনডম, ‘চিন্তার রেখা’ তারেকের কপালে



জাইমার বিছানায় মিললো কনডম, ‘চিন্তার রেখা’ তারেকের কপালে


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
11.10.2021

নিউজ ডেস্ক: বাসায় বাবা-মা কেউই ছিলো না। এই সুযোগে পাকিস্তান দূতাবাসের সেই কর্মকর্তাকে আসতে বলেন তারেক কন্যা জাইমা রহমান। এরপর প্রেমিককে নিয়ে নিজ ঘরে কাটান ‘একান্ত সময়’। এ সময় গৃহকর্মী একাধিকবার দরজা খুলতে বললেও জাইমা না খুলে বরং বলেন, চুলায় রান্না বসাও। বের হয়েই আমরা খাওয়া-দাওয়া করবো। এ কথা শুনে সোজা তারেককে ফোন দেন ওই গৃহকর্মী। খবর শুনে তড়িঘড়ি করে তারেক ফিরলেও হাতেনাতে ধরতে পারেননি তাদের। তার আগেই সটকে পড়েন ওই পাকি দূতাবাস কর্মকর্তা। তবে বিছানার কোণে থেকে যায় তার ব্যবহৃত কনডম। যা তারেকের দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি জাইমার সঙ্গে অনেক চিল্লাচিল্লি করেন এবং বলেন, আজ থেকে তোমার মোবাইল ব্যবহার করা বন্ধ। বন্ধ ইন্টারনেটসহ বাইরে যাওয়াও।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, স্ত্রী জোবায়দাকে নিয়ে একটি দাওয়াতে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে সেখানে বাবা-মায়ের সঙ্গে না গিয়ে জাইমা কল করেন প্রেমিক পাকিস্তান দূতাবাসের সেই বিবাহিত কর্মকর্তাকে। তিনিও দেরি না করে দ্রুত চলে আসেন তার কাছে। এরপর যখন তারা রুমের দরজা লাগিয়ে ‘কোয়ালিট টাইম’ কাটাতে থাকেন, তখন বিষয়টি বাসার ল্যান্ডফোন থেকে তারেককে জানান গৃহকর্মী। খবরটি পেয়ে একমুহুর্ত আর সেখানে না থেকে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসেন তারেক। কিন্তু তার আসার খবর পেয়ে ততক্ষণে পালিয়ে যান ওই পাকিস্তান দূতাবাস কর্মকর্তা।

বাসায় ফিরে তাকে না পেয়ে মেয়ের উপর চড়াও হন তারেক। চড়-থাপ্পড় দেয়ার পাশাপাশি তাকে কোমরের বেল্ট দিয়েও মারতে উদ্যত হন। এ সময় স্ত্রী জোবায়দা রহমান তাকে বাধা দিয়ে বলেন, তুমি কি পাগল হয়েছো? এতো বড় মেয়ের গায়ে কেউ হাত তোলে? তুমি শান্ত হও আমি দেখছি বিষয়টা। প্রত্যুত্তরে তারেকের সাফ জবাব, অত দেখাদেখির দরকার নেই। সিদ্ধান্ত ফাইনাল, ওকে ওর দাদির কাছে দেশে পাঠিয়ে দেবো। সেটা যেভাবেই হোক। যত দ্রুতই হোক। আর যাওয়ার পথে যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য তার সঙ্গে কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথিকেও পাঠাবো। তবুও এক মুহুর্ত এখানে নয়। কারণ, এখানে থাকলেই তার প্রেম আবার জেগে উঠবে। কোন না কোনভাবে উঠবে। তাই না যাওয়া পর্যন্ত, মোবাইল, ইন্টারনেটসহ বাইরে যাওয়াও বন্ধ তার জন্য। আর এ কথাটা যেন তার ভালোভাবেই মনে থাকে, বুঝিয়ে দিও তাকে।

এ বিষয়ে লন্ডন বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক বলেন, ঘটনার বিস্তারিত আমি জানিনা। তবে তারেক রহমান শুনেছি প্রচণ্ড ক্ষেপেছে জাইমার উপর। দেশেও পাঠাবেন অচিরে, এমন কথা এখানকার বাংলা কমিউনিটির কে না জানে! তবে যা-ই ঘটুক না কেন, তারেক সব সামলে নেবেন। কারণ, তিনি এ বিষয়ে পারদর্শী।

‘মেয়েও বাবার ধাঁচ পেয়েছে’ উল্লেখ করে দেশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রক্ত কথা বলে। জাইমার মাধ্যমে তা আরেকবার প্রমাণ হলো। এর আগে গর্ভ নিরোধক পিল পাওয়া গেলেও এবার তার বিছানায় পাওয়া গেলো ব্যবহৃত কনডম। তিনি তার বাবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, তিনিও তার বাবার থেকেও কোন অংশে কম যান না। তিনিও আধুনিকা। তাইতো রুম ডেটের মতো ঘটনা, তার কাছে রীতিমত ডাল-ভাতের ব্যাপার।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি