সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » খালেদা জিয়ার বিষয়ে চুপ থাকতে চাচ্ছে বিএনপি



খালেদা জিয়ার বিষয়ে চুপ থাকতে চাচ্ছে বিএনপি


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
23.11.2021

নিউজ ডেস্ক : ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির দায়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবাসে যাওয়ার সময় বিএনপির নেতারা হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলো, আন্দোলনের মাধ্যমে দুই মাসের মধ্যে তারা খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বের করবে। তবে দুর্বল নেতৃত্বের কারণে আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়ে কিছুই করতে না পারলে শেষমেশ সরকারের অনুকম্পায় শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়ে সরকারি হেফাজতে গুলশানের ফিরোজা নামক বাসায় ওঠেন বেগম জিয়া।

মূলত রাজনীতির সঙ্গে বিগত তিন বছর থেকে কোনো সম্পর্ক নেই বেগম জিয়ার। গুলশানে বাসায় অবরুদ্ধ হবার আগে কারাগারে থাকা অবস্থায় বিএনপি নেতারা প্রেস কনফারেন্সে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার হুঙ্কার দিতো। গুলশানের বাসায় থাকার পরও এখন পর্যন্ত বিএনপির এক দফা দাবি ছিলো বেগম জিয়াকে কারাগার থেকে বের করার। কিন্তু অবশেষে ব্যর্থ হয়ে কিংবা ষড়যন্ত্রের অংশ স্বরূপ বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলন থেকে সরে আসলো বিএনপি।

শুক্রবার ১৯ নভেম্বর বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। এ বৈঠকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এক দফার দাবিতে কর্মসূচি দিলে তাতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার কথা দিয়েছে বিএনপির সিনিয়ররা। তবে বলা বাহুল্য উক্ত দাবি খালেদা জিয়া মুক্তি সংক্রান্ত কোনো তথ্য ছিলো না। পেশাজীবী সংগঠনের দাবি ছিলো নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের। ফলে প্রশ্ন উঠেছে বিএনপি কি খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন থেকে সরে গিয়েছে কি না।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ আরাফাত বলেন, ১৮ নভেম্বর বিএনপির একটি পক্ষ খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে মাঠে নামার হুঙ্কার দেয়। ১৯ নভেম্বর অন্য পক্ষ খালেদা জিয়াকে ভুলে গিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ডাক দেয়। বিষয়টি প্রমাণ করে, বিএনপিতে দুই নীতি বিদ্যমান। বিএনপির একটি পক্ষ খালেদা পন্থী। অপরপক্ষ তারেকপন্থী। এমন চলতে থাকলে, বিএনপির ক্ষমাতায় আসার স্বপ্ন কখনো বাস্তবে রূপ নেবে না।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি