সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » বিএনপিকে স্লো-পয়জনিংয়ের মাধ্যমে ধ্বংস করেছেন যারা!



বিএনপিকে স্লো-পয়জনিংয়ের মাধ্যমে ধ্বংস করেছেন যারা!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
26.11.2021

রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির ব্যর্থতার শেষ নেই। ২০১৩ সাল থেকে একের পর এক আন্দোলন করেও ন্যুনতম জনসমর্থন অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। এর ফলে সকল আন্দোলনে পরাজিত হয় বিএনপি। এখন কোনোমত টিকে আছে দলটি, বলা চলে ধ্বংসদের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু একসময় যে দলটির হাজার হাজার কর্মী ছিল, সেই দলটি কিভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছালো? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে উঠে এসেছে পাঁচ ব্যক্তির নাম, যারা স্লো-পয়জনের মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংস করেছে।

এমাজউদ্দিন আহমদ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ বিএনপির প্রধান বুদ্ধিজীবী ছিলেন। বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়াকে দল পরিচালনার জন্য বুদ্ধি দিতেন তিনি। এই বুদ্ধিজীবী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জোর করে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন। এছাড়া রাজাকার-আলবদর জামায়াতের সাথে বিএনপির সম্পর্কের মূল কারিগর।

ইয়াজউদ্দিন আহমেদ : বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ইয়াজউদ্দিন আহমেদ। ২০০৬ সালের ২৯শে অক্টোবর প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনের জন্য শপথ নেন প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহমেদ। একটি সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপিকে পুনরায় বিজয়ী করতে রাষ্ট্রপতি থেকেই তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন। এই ঘটনার ফলে দেশের মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়লে জরুরি আইন জারি করে ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি এই পদ ছেড়ে দেন।

জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ : বেগম জিয়ার হাতে নিয়োগ পাওয়া এই সাবেক সেনাপ্রধানই বিএনপির সর্বনাশের অন্যতম কারিগর। খালেদা জিয়া বিশ্বাস করে তাকে সেনাপ্রধান বানালেও মঈন ইউ আহমেদ বিএনপির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘মাইনাস-টু’ ফর্মুলা বলে পরিচিত প্রধান দুই দলের দুই নেত্রীকে অপসারণের চেষ্টায় প্রধান ভূমিকা ছিল তার।

মাহমুদুর রহমান : আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানই একমাত্র ব্যক্তি যাকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট অবমাননার দায়ে সাজা প্রদান করেছে। ২০১৩ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময় মাহমুদুর রহমান ব্লগারদের লেখা বিকৃত করে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানেন। এসবের ফলে অনেক ব্লগারকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এছাড়া মৌলবাদী শক্তি হেফাজতের তাণ্ডবের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করে দেশে আগুন-সন্ত্রাস এবং ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সাহায্য করেন।

তারেক রহমান : বিএনপিকে স্লো-পয়জনিংয়ের মাধ্যমে ধ্বংস করার মূল কারিগর হলেন তারেক রহমান। খালেদা জিয়ার এই কুলাঙ্গার সন্তান ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালায়। এছাড়া জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বহির্বিশ্বে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত লাভ করে। হাওয়া ভবনের কারিগর তারেক সব সরকারি কাজে ১০ শতাংশ ঘুষ নিত, ফলে তাঁকে ডাকা হয় মিস্টার টেন পার্সেন্ট নামে। মূলত তারেকের কর্মকাণ্ডের কারণেই বিএনপি দেশে এবং দেশের বাইরে অগ্রহণযোগ্য হয়ে পড়ে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি