সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » নাহিদ রেইন্সকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা, নথিতে ‌‘খুনি জিয়া’কে স্বাধীনতার ঘোষক উল্লেখ



নাহিদ রেইন্সকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা, নথিতে ‌‘খুনি জিয়া’কে স্বাধীনতার ঘোষক উল্লেখ


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
13.12.2021

নিউজ ডেস্ক: সদ্য সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের বক্তব্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি সাইবার জগতে একের পর এক অপপ্রচার আর প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়ে চলেছে। ডা. মুরাদ ইস্যুতে তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যে মামলা দিয়েছে তাতে দেখা যায়, মামলার নথিতে ইতিহাসকে বিকৃত করে বার বার মেজর জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়েছে। এই মামলার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক তার মতামত তুলে ধরেছেন। তিনি চট্টলার যুবক নাহিদ রেইন্সের বিরুদ্ধেও বিনা কারণে হয়রানিমূলক মামলা দেয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন।

তার স্ট্যাটাসটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো-

১২ ডিসেম্বর দুপুরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রাম ইউনিটের সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এএসএম বদরুল আনোয়ার।

এদিকে একই ধারায় ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালেও মামলার আবেদন করা হয়।

আমার শুধু একটা প্রশ্ন ছিল… স্বাধীনতার ঘোষক বিষয়টা কি রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাধান হয়েছে কি না? বঙ্গবন্ধু ছাড়া আর কাউকে কি স্বাধীনতার ঘোষণা দাতা হিসাবে মানা যায়?

তাহলে এই রাষ্ট্রীয় কাগজে বিএনপির আইনজীবী কতবার জিয়ারে “স্বাধীনতার মহান ঘোষক” দাবি করছে কেউ একটু বলবেন?

জিয়ারে স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করার জন্য ইতিহাসের বিকৃতি করার জন্য এই মামলার বাদীকে কেন আইনের আওতায় আনা হবে না?

#StandWithNahid

উল্লেখ, ২০১৯ সালের শেষ দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ভূমিকা দেখা যায় সক্রিয় নাহিদ রেইন্সের। মূলত আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে প্রবাসে বসে বিএনপি-জামায়াতের পেইড এজেন্টরা যখন ব্যাপক মিথ্যাচার শুরু করেন তার জবাব দিতেই অনলাইনে সরব হন তিনি। তিনি যেসব ভিডিও কনটেন্ট, লাইভ টকশো করতেন তাতে সরকারের বিভিন্ন সমালোচনার জবাব দেওয়ার চেষ্টা চালাতেন। একসময়ের অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী নাহিদ হেলাল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তার পুরো নাম মুহাম্মদ মহিউদ্দিন হেলাল নাহিদ। তার বাবার নাম এটিএম আবুল কাশেম একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। চট্টগ্রামের হালিশহরে কে-ব্লকে তার বাসা ও স্টুডিও। সেখান থেকেই বিভিন্ন সময়ে তিনি ফেসবুকে লাইভ করেন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি