সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতা দিয়েই প্রধান বিচারপতি হয়েছেন হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী



জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতা দিয়েই প্রধান বিচারপতি হয়েছেন হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
01.01.2022

নিউজ ডেস্ক : সম্প্রতি আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এর আগে এই পদে ছিলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ অতি দ্রুত ও স্বচ্ছতা এনেছে সরকার। মাহমুদ হোসেনের মেয়াদ ছিল ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু ওইদিন ছুটি থাকায় গত ১৫ ডিসেম্বর ছিল তার শেষ কার্যদিবস। সেদিনই তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়।

প্রধান বিচারপতির পদ একদিনও শূন্য থাকেনি। ৩০ ডিসেম্বরই নিয়োগ পান হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ৩১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাকে শপথ পাঠ করান।

এরপর শনিবার (১ জানুয়ারি) ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত বাসভবন ঘুরে দেখেন প্রধান বিচারপতি। এ সময় আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ননী, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। কর্মজীবনে তিনি অত্যন্ত স্বচ্ছতা এবং দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। যোগ্যতার ভিত্তিতেই তিনি এই মহা পদে সমীসীন হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন বিশিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞরা।

প্রধান বিচারপতির আরেক ভাই বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী আপিল বিভাগের বিচারপতি ছিলেন। কয়েক মাস আগে তিনি অবসরে গেছেন।

কুষ্টিয়ার সন্তান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী জেলার খোকসা উপজেলার রমানাথপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম আব্দুল গফুর মোল্লা। তিনি ১৯৭২ সালে খোকসা জানিপুর পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭৪ সালে সাতক্ষীরার সরকারি পিসি কলেজ থেকে আইএসসি পাস করেন। বিএ পাস করেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে। এমএ পাস করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। এলএলবি পাস করেন ধানমন্ডী ‘ল’ কলেজ থেকে। ১৯৮১ সালে ঢাকা জজ কোর্টে আইন পেশায় যোগদান করেন। ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৮ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

২০০১ সালে হাইকোর্টে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ২০০৯ সালে হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে তিনি নিয়োগ পান। নিজের কর্মদক্ষতা, যোগ্যতা ও পদক্রম অনুযায়ীই পেয়েছেন প্রধান বিচারপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদটি।

বিশিষ্টজনরা বলছেন, মামলার জট কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি। কেটে যাবে সকল সঙ্কট। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা আরও বাড়বে দেশের জনগণের।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি