শুক্রবার ২১ জানুয়ারী ২০২২
  • প্রচ্ছদ » Lead 4 » ফখরুলের একঘেয়েমি বক্তব্যে বিরক্ত কর্মীরা



ফখরুলের একঘেয়েমি বক্তব্যে বিরক্ত কর্মীরা


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
02.01.2022

নিউজ ডেস্ক : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উপরে নাখোশ দলের কেন্দ্রীয় থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা। এ সত্য বিএনপি রাজনৈতিক অঙ্গনে ধ্রুব সত্য হলেও তা স্পষ্ট হয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঠান্ডা মাঠকে গরম করার চেষ্টা করছে বিএনপি। যার সর্বশেষ প্রমাণ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএনপি নেতাদের অগ্নিঝরা বক্তব্য।

এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে সাড়া ফেলার সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ্যে এসেছে মির্জা ফখরুলের হতাশা। জানা গেছে, ওইদিন দলের সিনিয়র নেতাদের বক্তব্য শেষে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে স্থান ত্যাগ করতে শুরু করে নেতাকর্মীরা। শেষমেশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে মাত্র দুইশ থেকে তিনশ লোক উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা তাকে অবজ্ঞা করার নিমিত্তে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

সূত্র বলছে, ওইদিন সকাল ১১ টা থেকে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ১২ টায় শেষ হওয়ার কথা ছিলো। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ১১ টা ৫০ মিনিটে সভাপতির বক্তব্য দেওয়ার আগেই ব্যানার গুটিয়ে এবং ফেস্টুন নিয়ে নেতাকর্মীদের কর্মসূচির স্থান ত্যাগ করতে দেখা যায়। কর্মসূচিতে প্রায় দুই হাজার বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যের আগেই কর্মসূচি থেকে চলে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কর্মী বলেন, মূলত মির্জা ফখরুল ইসলামের প্রতি বিরক্ত সর্বস্তরের নেতারা। মির্জা ফখরুলের কারণেই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির দিতে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। এক নয় একাধিক কারণে বিতর্কিত তিনি। অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে নেতাকর্মীরা সেই বিক্ষুব্ধ মনোভাবের প্রকাশ ঘটিয়েছে।

শহীদুল ইসলাম নামে অন্য একজন কর্মী বলেন, মির্জা ফখরুলের আঁতাতের কারণেই খালেদা জিয়া আজও অবরুদ্ধ। দলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনের পক্ষে থাকলেও তিনি কর্মসূচি দিচ্ছে না। তাই তার বড়বড় কথা শুনতে কেউ আগ্রহী নয়।

এ সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনে পরাজয় ও বেগম জিয়ার অবরুদ্ধ থাকার জন্য অনেক নেতাকর্মী এখনও মহাসচিবকেই দায়ী করছেন। এই কারণেই তার বক্তব্য বর্জন করতে পারে।

দলীয় সূত্র বলছে, এ ঘটনায় হতাশ মির্জা ফখরুল। তিনি না পারছেন কাউকে কিছু বলতে, না পারছেন সইতে। এমন প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি