আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাফল্যে গায়ে জ্বালা ধরেছে পলাতক আসামীদের

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

নিউজ ডেস্ক : ২০০০ সালের পর থেকে রাজধানী ঢাকা হয়ে ওঠে সন্ত্রাস আর মাদকের আখড়া। দুর্নীতি, চাঁদাবাজ, ছিনতাই, হত্যা, ধর্ষণ ইত্যাদি নেতিবাচক খবরে পরিপূর্ণ থাকতো সংবাদপত্রগুলো। কিন্তু ২০১০ সালের পর থেকে রাজধানীতে সন্ত্রাস আর মাদক বিলীন হতে শুরু করে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যথেষ্ট তৎপরতা এবং কঠোরতায় দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব বিলীন হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা হয় সুপথে এসেছেন, না হয় জেলে আছেন। সন্ত্রাসীরা অন্য দেশে পালিয়ে আছে অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে সাজা ভোগ করছেন।

কিন্তু এই শান্তিপূর্ণ অবস্থায় আনার পথটি সহজ ছিল না। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে শান্তি এনেছেন। আর এতে গায়ে জ্বালা ধরেছে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা আসামীদের। তারা বিদেশে বসে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

বিভিন্ন দেশে লবিস্ট নিয়োগ করে তাদেরকে ভুল তথ্য দিচ্ছে তারেক জিয়া ও তার গুজব সেলের কিছু এজেন্ট। যে তথ্যের ভিত্তিতে মনগড়া রিপোর্ট তৈরি করছে বিভিন্ন দেশের সংগঠন। আর এভাবেই বিদেশে বসে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করছে ওই সন্ত্রাসীর মদদদাতারা।

বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসনের সময় বাংলাদেশের ভূখণ্ডে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল জঙ্গিবাদ। ১০ ট্রাক অস্ত্র পাচার, প্রতিটা প্রকল্প কাজে ১০ পার্সেন্ট কমিশন, ভর্তি বাণিজ্য, ফুটপাতে চাঁদাবাজি, হাওয়া ভবন কমিশন নানান অপকর্ম ছিল ওই সময়টাতে।

বর্তমানে এই চিত্র একেবারেই দেখা যায় না। কোনো সন্ত্রাসী নিজের দল তৈরি করতে পারে না। মাদক চোরাচালানের সমস্ত রাস্তা বন্ধ রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এতেই বিপাকে পড়েছে তারেক গংয়ের কর্মীরা। কেননা নিজেদের আধিপত্য ও ব্যবসা হারিয়েছেন তারা।

জনগণও আছে বেশ শান্তিতে। কেননা এখন ব্যবসা-বাণিজ্য করতে কোনো কমিশন দিতে হয় না। রাত-বেরাতে ছিনতাইকারীর ভয় নেই। মাদক চোরাচালানকারীরা থাকেন আত্মগোপনে।

বিশিষ্টজনরা বলছেন, সব মিলিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন অনেক ভালো। ইউরোপের অনেক দেশের চেয়ে আমাদের দেশের নিরাপত্তা আরও বেশি। কিন্তু নিজেরা সুবিধা করতে না পেরে একদল অপরাধী চক্র বিদেশে বসে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে অপপ্রচারে মেতে আছে। যা তাদের স্বার্থের বাইরে। তাই দেশের কথা না ভেবে, নিজেদের স্বার্থের কথা ভেবে দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে বিদেশে পালিয়ে থাকা ওই চক্রটি। ওদের গুজব ও মিথ্যা তথ্য থেকে সাবধানে থাকা জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.