যে কারণে খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ পায় না হাইকমান্ড

নিউজ ডেস্ক: দলীয় নেতাদের মধ্যে পক্ষ-বিপক্ষ, দ্বন্দ্ব ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপিকে ছন্নছাড়া রাজনৈতিক দলে পরিণত করেছে। এবার সে পরিস্থিতিকে আরও কিছুটা বিগড়ে দিলো বিএনপি নেতাদের সাথে খালেদা জিয়ার পরিবারের দ্বন্দ্ব।

২০১৮ খালেদা জিয়া কারাগারে যাবার পর বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন আন্দোলনের ফাঁকা বুলি ছাড়লেও শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার পরিবারই তাকে কারাগার থেকে জামিনে বের করতে সক্ষম হয়। ২০২০ সাল থেকে আজ অবধি বিএনপি নেত্রীর দেখাশুনা করছেন তার পরিবার। অপরদিকে বড় বড় কথা বললেও বিএনপির কোনো নেতাই কখনোই খালেদা জিয়ার সাক্ষাত পেতে গুলশানের ফিরোজার বাসা কিংবা এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেনি। আর এ কারণে বিএনপি নেতাদের ওপর ভরসা করতে পারছেন না বিএনপির চেয়ারপারসন।

বলা হচ্ছে, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কিছুদিন হুতোসে দৌড়ঝাঁপ করলেও বিএনপি নেতারা এক পর্যায়ে থেমে যায়। কিন্তু খালেদা জিয়ার স্বজনরা এখনো হাল ছাড়েনি। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে প্রথমে কারাগার থেকে মুক্ত করেন। এখন চেষ্টায় আছেন বিদেশ প্রেরণের। তবে খালেদা জিয়ার স্বজনদের এমন প্রয়াসে বিরক্ত বিএনপির হাইকমান্ড। অপরদিকে বিএনপির হাইকমান্ডের আচরণে খালেদা জিয়ার স্বজনরা নাখোশ হলেও প্রকাশ্যে কোন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করে খালেদা জিয়াকে বিএনপি নেতাদের আচরণ সম্পর্কে ধারণা দিতে থাকেন তার স্বজনরা।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে এমন এক সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার স্বজনরা নেত্রীকে এমনভাবে বুঝিয়েছে যে, বর্তমানে বিএনপির কোনো নেতাকে নেত্রী সহ্য করতে পারছে না। খালেদা জিয়া মনে করেন, বিএনপির এসব নেতা হয়তো স্বার্থের জন্য নেত্রীর প্রশংসা করেন। আদৌতে মনের ভিতরে তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। আর এ কারণে দীর্ঘ এক বছর যাবত বিএনপির কোনো নেতার সঙ্গে দেখা করেন না খালেদা জিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published.