পদ নিয়ে চিন্তিত মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ হলেও সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উদ্ভট কথা বলেছেন। বিএনপির একাধিক নেতারাই বলছেন- দলের ‘মহাসচিব’ পদটি ধরে রাখার জন্যই অশিক্ষিতের মতো আচরণ করছেন তিনি।

বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা বলেন, মির্জা ফখরুল একজন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষ হয়েও শীর্ষ নেতাদের নিয়ে যেভাবে মিথ্যা তোষামোদি করছেন তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি তারেক রহমানকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা বলে নির্বুদ্ধিতার বড় পরিচয় দিয়েছেন। শুধু তাই না, তিনি খালেদাপুত্র প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোকেও মুক্তিযোদ্ধা বলেছেন।

এদিকে রাজনীতিবিদরা তার এমন বক্তব্যকে বিএনপিতে টিকে থাকার সংগ্রাম হিসেবে দেখছেন। কারণ বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলে টিকে থাকতে হলে দলের শীর্ষ নেতাদের তোষামোদি করতে হয়। তাই তিনি বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে খালেদা জিয়াকেও মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে ফেলেছেন।

এছাড়াও মির্জা ফখরুলের অনেক কর্মকাণ্ড প্রমাণ করেছেন যে, তিনি তার শিক্ষা-দীক্ষা এবং নীতিবোধ গুলিয়ে ফেলেছেন। তিনি সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলতে ভুলে গেছেন।

বর্তমান সরকারের সবকিছুই তার কাছে কালো বলে মনে হয়। সব কিছুতেই তার এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সম্প্রতি তিনি সব কিছুতেই ‘না’ বলছেন। সংলাপে যাবে না, নির্বাচনে যাবে না, এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও যাবে না।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক সচেতনরা বলেন, বিএনপির রাজনীতিতে ভদ্রলোক খ্যাত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন একজন পুরোদস্তর ‘অশিক্ষিত রাজনীতিক’। মহাসচিবের পথ ধরে রাখতে তিনি নিজের আত্মমর্যাদাকে বিক্রি করে দিয়েছেন। অন্তঃসারশূন্য এ নেতা তাই খালেদা জিয়াকেও মুক্তিযোদ্ধা বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.