ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্টে আবারও পরিকল্পনা, নেপথ্যে কারা?

নিউজ ডেস্ক : শুক্রবার (৬ মে) দুপুরে খুলনার ফুলতলা এম এম কলেজ সার্বজনীন পূজা মন্দিরে স্বরস্বতী প্রতিমার মাথা ভেঙে পালানোর সময় অনিক মণ্ডল (১৭) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে দিয়েছে স্থানীয়রা। দেশে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টির অপচেষ্টায় অন্যান্য ঘটনার মতোই ঘটেছে এই ঘটনা।

স্থানীয়রা বলেন, এম এম কলেজের খোরশেদ আলম তার দায়িত্ব পালনকালে ওই যুবককে একটি শপিং ব্যাগ হাতে নিয়ে মন্দির থেকে বের হতে দেখে। ব্যাগ তল্লাশী করে প্রতিমার মাথা পাওয়া গেলে তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনায় অনিক মণ্ডলকে আসামী করে ফুলতলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

জানা যায়, দেশে ধর্মীয় ইস্যুতে সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে একটি কুচক্রী মহল। যারা একের পর এক স্থানে পরিকল্পিতভাবে মন্দিরে হামলা করে অস্থিতিশীলতা তৈরিতে লিপ্ত তারা। তারই অংশ এই প্রতিমার মাথা ভাঙা।

এর আগেও একইভাবে কুমিল্লা, রংপুর, নওগাঁ ও লালমনিরহাটে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। যার পুরো দায় দেয়া হয় মুসলিমদের উপর। কিন্তু খুলনার ঘটনায় অভিযুক্ত হিন্দু আটক হওয়ায় সামনে আসছে মূল সত্য।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, একটি কুচক্রী মহলের নির্দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চলছে। খুলনায় প্রতিমার মাথা ভেঙে পালানোর সময় যুবক আটক না হলে তাদের গুজব সেল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য মুসলমানদের দোষারোপ করে হিন্দু-মুসলিম কলহ সৃষ্টি করতো। কিন্তু তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়ে গেছে।

এদিকে, স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সুকৌশলে এই অপকর্ম করে মুসলিমদের ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে কাজ করছে কেউ। এঘ টনায় অভিযুক্ত অনিক মন্ডলকে আটক করা সম্ভব না হলে এ ঘটনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারতো।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন,ধর্মের নামে জনগণকে খেপিয়ে তুলে দেশে দাঙ্গা লাগানোর পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা করছে চক্রটি। যারা দেশের উন্নয়ন চায় না তারাই এই গর্হিত কাজে লিপ্ত রয়েছে। এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটলে তা শক্ত হাতে প্রতিরোধ জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.