তেলের দাম বাড়ছে কুচক্রী মহলের ইন্ধনে

বিএনপি

নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের এক দোকানির গুদাম থেকে ১৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করেছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর। সোমবার (৯ মে) দুপুর ১২টায় পাহাড়তলী বাজারের বিল্লি লেইনের সিরাজ সওদাগরের দোকানের গুদাম থেকে ‘অবৈধভাবে’ মজুত করা এসব তেল জব্দ করা হয়।

পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তেল গুদাম করা ওই ব্যক্তি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে বিগত ২০ বছর যাবত জড়িত। তেল গুদামজাত করে দাম বাড়িয়ে দেয়ার তালিকায় বিএনপি ছাড়া বিভিন্ন সরকার বিরোধী মতাদর্শের হাত রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়।

ইতোমধ্যে লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে দেশের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দলটির তিন নেতাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো, এর প্রমাণ হাতে এসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

জানা যায়, দাম বাড়িয়ে দেশের পরিস্থিতি নাজুক করে দিতে সব রকমের ষড়যন্ত্রের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বিএনপি। যদিও দেশবিরোধী চক্রের সকল পরিকল্পনা ধূলিসাৎ করে দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সচেষ্ট রয়েছে সরকার।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করায় ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করা ভুল ছিল। সোমবার সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, রমজানে স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম না বাড়ানোর জন্য বলেছিলাম ব্যবসায়ীদের। সে সময় তাদের স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম ঠিক রাখার দরকার ছিল। অনেকে রাজি হয়েছিলেন, কিন্তু কুচক্রী মহলের ইন্ধনে সব ভেস্তে যায়। একটি পক্ষ কখনোই চায় না, দেশে শান্তি আসুক।

এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানন্ত্রীর নির্দেশে ইতোমধ্যে আমদানি পর্যায়ে তেল, চিনিসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোজ্যতেলের বর্তমান মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এবং কেউ অতিরিক্ত দাম রাখলে ১৬১২১ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ করার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অসাধু মুনাফাখোর মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, হাজার হাজার টন ভোজ্যতেল উদ্ধার হচ্ছে। আমরা আশা করি, বাজারের এই সংকট থাকবে না এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দ্রব্যমূল্য পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবো।

বিশিষ্টজনরা বলছেন, দেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও বেড়েছে কয়েকগুণ। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন। সামান্য মূল্যবৃদ্ধিতে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হোক এমন কিছু যাতে না ঘটে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.