তারেককে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে সরকার

তারেক

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের নামে ইংল্যান্ডে থাকা তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ হয়েছে অনেক আগেই। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাজ্য আদালত। যদিও বিষয়টিকে আমলে নিচ্ছেন না বিএনপির নেতারা। বিএনপি নেতারা বলছেন, লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো ক্ষমতা সরকার ও দুদকের নেই।

এদিকে বিএনপি নেতারা তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক লবিং-গ্রুপিং জেনেই এমন মন্তব্য করেছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। মূলত আন্তর্জাতিক মানি লন্ডারিং ও বাংলাদেশ বিরোধী চক্রের সুপারিশে বিদেশে বহাল তবিয়তেই থাকবেন বলেও জানা গেছে।

দলটির নেতারাও জানেন তারেক রহমানের বিদেশি খুঁটির জোর। সরকারকে চাপে রাখতে লন্ডন থেকে বিভিন্ন পরিকল্পনা দেশে পাঠানোর শর্তে তারেককে বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকতে পারবেন বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

লন্ডন ভিত্তিক একটি সূত্র বলছে, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ক্রমাগত চেষ্টা করছে সরকার। কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর সরকার। এদিকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে লন্ডনে বহাল তবিয়তেই আছেন তারেক।

তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগকে রাজনৈতিক বলে ব্রিটিশ সরকার, মানি লন্ডারিং চক্র ও বাংলাদেশ বিরোধী মহলের সহমর্মিতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তারেক। তারেক মনে করেন, রাজনীতি করতে গেলে কিছু ভুল-ত্রুটি হতেই পারে। সেগুলো নিয়ে পড়ে থাকলে তো চলবে না। তাই প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে সম্ভাব্য সব কিছুই চেষ্টা করছেন তারেক। কোনোক্রমেই তিনি দেশে ফিরতে চান না।

এই বিষয়ে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, তারেক রহমান বিদেশে থাকেন নিজ খরচে। তিনি কারো পয়সা চুরি করেননি। আর যদি নিয়েও থাকেন সেটি দলের টাকা। তারেক রহমান কোন গরীব ঘরের সন্তান নন। তার নিজস্ব ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল দেশে।

বিদেশে গিয়ে তিনি সেই অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন। সেখানে তার বন্ধু মহল রয়েছে। বিত্তশালীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। সুতরাং চাইলেই তাকে দেশে ফেরানো সম্ভব নয়, যদি না তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেন।

তিনি আরও বলেন, লন্ডনে তারেক রহমানের যে অ্যাকাউন্টটা আছে সেটা ঐ দেশের আইনের প্রক্রিয়ায় চলছে। কিছু তথ্যগত ঝামেলার কারণে আপাতত ফ্রিজ হয়ে আছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে গেলেই কেউ অর্থ পাচারকারী হয়ে যায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.