বিভাজিত বিএনপি

তৃণমূলের চেয়ে কেন্দ্রেই বেশি বিভাজন বিএনপিতে। কেউ শুনছেন না কারো কমান্ড। যে যার মতো নেতিবাচক বক্তব্য, মন্তব্য দিয়ে দলকে বিতর্কিত করছেন। এসব কিসের আলামত তা খুঁজে বের করতে পারছেন না দলটির নীতি-নির্ধারকরা।

সূত্র বলছে, চূড়ান্তভাবে ভেঙে পড়ার আলামত হিসেবে বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সুবিধাবাদীরা বিএনপিকে ভেঙে নতুন দল গঠন করতেই কৌশলে দলের বিরুদ্ধচারণ করছে।

বিএনপি ঘনিষ্ঠ একাধিক গোপন সূত্র বলছে, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিএনপিতে বিভেদ মাথাচাড়া দেয়। সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। দলটির শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন মত ও পথে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ কারো কমান্ড মানছেন না। যে যার মতো মন্তব্য করছেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন।

এর আগে, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন ও শওকত মাহমুদকে শোকজ করেছে বিএনপি। তারা দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়।

হঠাৎ দলের প্রতি কেন বীতশ্রদ্ধ বিএনপির সিনিয়র নেতারা? সেটি এখন চরম মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জন্য। পরীক্ষিত এসব নেতা কেন হঠাৎ বিদ্রোহ করার চেষ্টা করছেন সেটি নিয়ে চিন্তিত দলটির হাইকমান্ড।

গুঞ্জন উঠেছে, ২০২৩ সালে নির্বাচনের আগে বিএনপির একটি নতুন অংশ আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরোধীদের নিয়ে নতুন নামে দল গঠনের চেষ্টা চলছে। এই অংশকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা দিচ্ছে জামায়াতের মডারেট অংশটি। যার নমুনা হিসেবে দলের ভেতর বিদ্রোহ শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি দল ভেঙে যাওয়ার পূর্ব লক্ষণ বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। অবস্থা চলমান থাকলে আগামী বছর বিএনপি ভেঙে কয়েক টুকরো হয়ে পড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *