খালেদা-তারেক যুগ: আওয়ামী লীগ দমনই ছিল যখন মূল টার্গেট

নিউজ ডেস্ক: ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল। খালেদা-তারেকের রাজনৈতিক জিঘাংসার কালো অধ্যায়। সেসময়কার ইতিহাসের প্রতিটি পাতা যেন রক্তে লেখা এক ক্যালেন্ডার। যে ক্যালেন্ডারের প্রতিটি দিনে ছাপ রয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রক্তের। সরকারে থাকার সময় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালায় বিএনপি-জামায়াত।

খালেদা জিয়ার পেটোয়া বাহিনী আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার, সাবেক মন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। শুধু তাই নয়, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ওপরেও গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এই নৃশংস হামলার নীলনকশা করেছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপি নেতা তারেক রহমান ও তার হাওয়া ভবন সিন্ডিকেটের প্রভাবশালী বিএনপি নেতারা।

এছাড়াও দেশজুড়ে আওয়ামী নেতাকর্মীদের হত্যা, অঙ্গহানি করা, বাড়ির সম্পদ লুটপাট এবং দেশজুড়ে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঢাকার আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে টোকাই বাহিনী ও পুলিশ দিয়ে নির্মম নির্যাতন চালায় খালেদা জিয়ার সরকার। দৈনিক আট-দশটি হত্যার ঘটনা ছিল তখন পত্রিকার নিত্যদিনের সংবাদ।

প্রয়াত সাবেক সাহারা খাতুন, বর্তমান সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরীসহ শত শত নারী নেত্রীকে রাস্তায় ফেলে পেটানো হয় বিএনপি-জামায়াত সরকারের নির্দেশে। কাটাতারের বেড়া দেয়া হয় আওয়ামী লীগের অফিসে। এমনকি শেখ হাসিনাকে পর্যন্ত হত্যার চেষ্টা করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিশেষ ঘাতক বাহিনী।

এছাড়াও সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক লুটপাট-চাঁদাবাজি চালায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা। তারা আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের বাড়ি ও ব্যবসা লুটপাট করতো খুব পৈশাচিকভাবে। এটাই বিএনপির গণতন্ত্র!

এটাই ছিল বিএনপি-জামায়াতের শাসনামল। তাহলে আপনারাই বলুন, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিতে যারা দেশটাকে নরক বানিয়ে ফেলেছিল, তারা কি কখনো দেশের উন্নয়নের জন্য কিছু করেছে নাকি শুধু লুটপাট অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ দমনই ছিল তাদের মূল টার্গেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *